বিদ্যুৎ সরকার :
হঠাৎ গতকাল রাত ১২টা থেকে জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজৈর উপজেলার সর্বস্তরের জনমনে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ মানুষ ও মোটরসাইকেল চালকেরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করছেন।
তাদের মতে, একলাফে একবারে ২০ টাকা না বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে বা ধাপে ধাপে দাম বাড়ালে তা সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা সহনীয় হতো। এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রীর দাম দ্বিগুণ হারে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে, খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের জীবিকা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। কৃষিকাজে জমি চাষ ও সেচ ব্যবস্থার জন্য তেল এবং সারের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। হুট করে তেলের দাম এতটা বেড়ে যাওয়ায় কৃষকেরা নিরুপায় হয়ে পড়েছেন। তাদের ফসলি জমির চাষাবাদ ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ উৎপাদন খরচ নিয়ে মাঠপর্যায়ে হাহাকার শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে, রাইড শেয়ারিং অ্যাপের চালক, এনজিও কর্মী এবং বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির মাঠপর্যায়ে কর্মরত চাকরিজীবীদের যাতায়াত ব্যয় এক লাফে অনেক বেড়ে গেছে। জীবিকার তাগিদে বিভিন্ন এলাকায় মোটরসাইকেল বা পেট্রোলচালিত যানবাহনই তাদের একমাত্র ভরসা। তেলের দাম বাড়লেও তাদের আয় না বাড়ায় তারা চরম সংকটে পড়েছেন। সব মিলিয়ে, সাধারণ মানুষের এখন একটাই উদ্বেগ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি যেন তাদের নাগালের বাইরে চলে না যায়।
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, সরকার যেন তার দূরদর্শিতার মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘবে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।