বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে পুকুরে ডুবে ২ জমজ বোনের মৃত্যু মাদারীপুরে মটরসাইকেলের ত্রিমুখী সংঘর্ষ : নারী-শিশুসহ আহত ৬ নিখোঁজের পরদিন মিলল বস্তাবন্দি মরদেহ: অভিনেত্রী শিমু হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যা ঘটেছিল বগুড়ার ১৩ উপজেলায় হবে মিনি স্টেডিয়াম: প্রতিমন্ত্রী ‘গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করেননি আবদুস শহিদ’ মাদারীপুরে সর্বজনীন পেনশন মেলা, বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শিবচরে মাকে হত্যা, ৫ দিন পর আড়িয়াল খাঁ নদে মিলল শিশুর অর্ধগলিত লাশ এবার সালমান শাহ হত্যা মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন ডলি জহুর বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষা ও সংস্কৃতির বৈশ্বিক উৎসব কালকিনিতে বৃদ্ধের দুই পায়ের রগ কাটার পর বসতবাড়িতে হামলা, অর্ধশতাধিক বোমা বিস্ফোরণ

সাংবাদিকদের সাথে ৫ লাখ টাকার রফা, বিনিময়ে চেয়ারম্যানগিরি ফেরানোর চুক্তি

শেখ সাজেদুল হক বোরাক, বার্তা সম্পাদক, সাপ্তাহিক সুবার্তা

সুবার্তা ডেক্স ॥ প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে অনিয়মের অবসান ঘটলেও থেমে নেই ক্ষমতাচ্যুত চায়না বেগম ও তার সহযোগীরা। পদ হারালেও অবৈধ সেই ক্ষমতা ও চেয়ার যেকোনো মূল্যে ফিরে পাওয়ার জন্য তৎপরতা শুরু করেছেন তিনি। পদ ফিরে পেতে স্থানীয় কয়েকজন বিতর্কিত সাংবাদিকের সাথে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে চুক্তি করার একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে।

গোপন সূত্রে জানা যায়, সাবেক এই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের হারানো চেয়ার ও দায়িত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় বিতর্কিত ৩ জন সাংবাদিক। তারা হলেন কাজী নজরুল ইসলাম, শহীদুল আলম টুকু ও মহিউদ্দিন হিরা। উক্ত ব্যক্তিরা ৫ লাখ টাকায় রফা করেন। বিনিময়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বা তদবিরের মাধ্যমে পুন:রায় তাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ফিরিয়ে দেবেন বলে আশ^াস প্রদান দেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজৈর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক পদত্যাগ করার পর কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন বা দাপ্তরিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য চায়না বেগম। তিনি রাজৈর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী ভোটার।


গত ৪ মে জাতীয় দৈনিক “দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার” ও “দৈনিক যায়যায়দিন” পত্রিকায় এ সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে তার নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়। সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। এসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসার পর কঠোর আইনি পদক্ষেপে নামে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় অনিয়ম ও দুর্নীতির আঁখড়া হিসেবে পরিচিত রাজৈর ইউনিয়ন পরিষদে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজৈর উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেনকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক।

স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল মনে করেন, এক শ্রেণীর হলুদ সাংবাদিকদের এমন অপতৎপরতা স্থানীয় গণমাধ্যমের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুন্ন করছেন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে রাজৈর ইউনিয়ন পরিষদের অর্থ তছরুপের ঘটনায় শুধু প্রশাসক নিয়োগই নয়, বরং এই পুরো দুর্নীতির সিন্ডিকেট এবং অনৈতিক চুক্তির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.


ফেসবুকে আমরা